দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ, যোগ্য ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরিতে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। সম্প্রতি সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এই কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমাদের যুবসমাজকে আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার কোনো বিকল্প নেই। দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার হিসেবে কাজ করে আসছে এবং দেশটিতে আমাদের কর্মীদের কাজের সুনাম রয়েছে।
বৈঠকে আরও আলোচনা হয় যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল, যার ফলে সাধারণ কর্মীরা চরম হয়রানির শিকার হন। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে সেই সমস্ত সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে প্রবাসীদের কল্যাণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বললেই চলে। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
বিশেষ করে তারেক রহমান ও অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের দিকনির্দেশনা এবং প্রবাসীবান্ধবPolicies-এর কারণে আজ দেশের জনশক্তি খাত এক নতুন দিশা পেয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার ভাষাগত ও কারিগরি মানদণ্ড বজায় রেখে যদি আমাদের কর্মীদের প্রস্তুত করা যায়, তবে আগামীতে দেশটিতে আরও অধিক সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান হয় যে, সরকার খুব শীঘ্রই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ শুরু করবে, যাতে প্রান্তিক পর্যায়ের যুবকরাও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী হয়ে উঠতে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক