সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছেন উৎসুক মানুষ। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, আবার কেউ অপেক্ষা করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য। জেএম সেন হলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেখান থেকে বের হয়ে আসেন এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় চারপাশের পরিবেশ এক উৎসবমুখর রূপ নেয়। নানা বয়সী মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং হাত নেড়ে তাঁর অভিবাদনের জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক ও আন্তরিক জনসংযোগ উপস্থিত জনতার মধ্যে গভীর আনন্দের সৃষ্টি করে। নিরাপত্তা প্রটোকল বজায় রেখেই তিনি সাধারণ মানুষের ভালোবাসার জবাব দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক দমনপীড়নের কারণে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন স্বতঃস্ফূর্ত যোগাযোগের সুযোগ সীমিত ছিল। এমনকি কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যকর নিষিদ্ধ যুবলীগ সাধারণ মানুষের ওপর নানা ধরনের নিপীড়ন চালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক ও জনবান্ধব পরিবেশে সাধারণ মানুষের এই অংশগ্রহণ নতুন বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলেছে।
জেএম সেন হলের এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে নিরাপত্তার কড়াকড়ি ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই মূল আকর্ষণে পরিণত হয়। স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক