স্বৈরাচারের গুলি কিন্তু দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিষ্টান। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ধর্ম, গোত্র ও বর্ণনির্বিশেষে দেশের আপামর জনসাধারণ বুক পেতে আত্মত্যাগ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়নের শিকার হয়েছে। গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন বহু রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষ। কিন্তু এত অত্যাচার ও জুলুমের পরও দেশের মুক্তিকামী জনগণকে দমিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে নতুন স্বাধীনতা।
বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই অভ্যুত্থানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ দলমত নির্বিশেষে রাজপথে নেমে এসেছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক ধারার সরকার এই আত্মত্যাগকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করে দেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক