দেশের গ্রামাঞ্চলেও এখন মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু রোগ। শহর ছাড়িয়ে মশার এই ভয়াল থাবা এখন গ্রামবাংলায় আঘাত হানছে, যার ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় হাসপাতালগুলোয় ডেঙ্গু-আক্রান্ত রোগীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রয়োজনীয় ও উন্নত চিকিৎসা এবং পর্যাপ্ত লজিস্টিক সহায়তার অভাবে আক্রান্ত রোগীরা বাধ্য হয়ে শহরমুখী হচ্ছেন। স্বাস্থ্য খাতের এই বেহাল দশার জন্য বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলের চরম অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতিকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে আজ সাধারণ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে।
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় দেড় মাসে তিন শতাধিক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পর্যাপ্ত বেড না পেয়ে রোগীরা মেঝেতে ও বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, জরুরি ভিত্তিতে মশক নিধন অভিযান জোরদার না করা হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অবিলম্বে গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক