কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টানা পাঁচ দিন ধরে মাটির নিচ থেকে নির্গত গ্যাসের আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, নির্গত গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। গ্যাসের উৎস এবং এর সঠিক মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি তথা বাপেক্স যৌথভাবে আগামী ১৫ দিন এই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ভূগর্ভস্থ গ্যাস ও তেলের প্রকৃত মজুত কতটুকু, তা যাচাই করার জন্য আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা জরুরি। যদি খনির অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্যাস বা তেলের মজুত নিশ্চিত করা যায়, তবে এর পরবর্তীতে দ্রুত ড্রিলিং বা খনন কাজ শুরু করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বড় ধরনের ঝুঁকি এড়াতে ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণ করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আগুনের তীব্রতা এবং গ্যাসের চাপ যদি এভাবে অব্যাহত থাকে, তবে খনির সঠিক প্রকৃতি উদ্ঘাটন করতে এখানে একটি রিলিফ কূপ খনন করা হতে পারে। এই কূপের মাধ্যমে মাটির নিচের অবরুদ্ধ গ্যাসের সঠিক চাপ মাপা এবং এর স্থায়ী সমাধান বা বাণিজ্যিক ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা সহজ হবে। দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক