জাতীয় ক্রিকেট লীগের দ্বিতীয় রাউন্ডে সিলেট বিভাগের বিপক্ষে ম্যাচে এক কৌশলগত ও অদ্ভুত নজির স্থাপন করেছে ঢাকা দল। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনতে এবং কৌশলগত পরীক্ষা চালাতে তারা একাদশের পুরো ১১ জন খেলোয়াড়কেই বোলিং করার সুযোগ দিয়েছে। ঘরোয়া ক্রিকেটের এই টুর্নামেন্টে এমন ঘটনা বেশ বিরল এবং এটি ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে বেশ কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শন করে খেলায় ফিরেছে রাজশাহী দল। তাদের এই দৃঢ়তাপূর্ণ ব্যাটিংয়ের ফলে ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়ের যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে দলটি। তবে অন্য ম্যাচে এখনও পরাজয়ের সেই শঙ্কা ঘনীভূত হয়ে আছে বরিশাল দলের মাথার ওপর।
ম্যাচের তৃতীয় দিনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন ব্যাটার ইরফান শুক্কুর। তিনি অসাধারণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নিজের দলের ইনিংসকে শক্ত ভিত ওপর দাঁড় করিয়েছেন। তার এই দায়িত্বশীল শতক দলের সংকটময় মুহূর্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
ঘরোয়া ক্রিকেটের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসরে ক্রিকেটারদের এমন লড়াই এবং কৌশলগত পরিবর্তনগুলো আগামী দিনে জাতীয় দলের পাইপলাইনকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে বোলারদের পর্যাপ্ত ব্যবহার এবং ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলার প্রবণতা তরুণ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক