যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে ইরানের সঙ্গে চলমান সংকট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান দলের জন্য তীব্র রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কার্যক্রমের প্রভাব আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বৈরিতাকে আরও ঘনীভূত করে তুলছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সমীকরণ মেলাতে গিয়ে হোয়াইট হাউজ প্রায়ই কঠোর বৈদেশিক নীতির আশ্রয় নেয়, যা অনেক সময় হিতে বিপরীত হতে পারে। ইরানের পক্ষ থেকেও আঞ্চলিক জলসীমায় তাদের অবস্থান শক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে যেকোনো ভুল হিসাব বা উসকানিমূলক পদক্ষেপ উভয় দেশকে একটি সর্বগ্রাসী ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং তেলের বাজারেও এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই সংকট নিরসনে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অনমনীয় মনোভাবের কারণে কূটনৈতিক আলোচনার পথ দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসছে। এমতাবস্থায় আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপগুলোই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ ভূ-রাজনীতির মোড় কোন দিকে ঘুরবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক