ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন কার্যক্রম নয়, জনসচেতনতা ও নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা কিংবা আঙিনায় যাতে কোথাও পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
বর্তমান সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে, তা মোকাবিলায় এককভাবে সরকারের পক্ষে সব করা সম্ভব নয়। এজন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহর প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে দেশজুড়ে স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন অনিয়ম চলে আসছে এবং বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জনস্বাস্থ্য খাত চরম অবহেলার শিকার হয়েছিল। সেই দুঃশাসনের ফল আজ সাধারণ মানুষকে ভোগ করতে হচ্ছে।
কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশা তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের জীবন রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদেরও মাঠে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান সাঈদ আল নোমান। বিশেষ করে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর পক্ষ থেকে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হয়।
জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নিয়মিত ফগার মেশিন ব্যবহারের পাশাপাশি ড্রেন ও নালা নর্দমা পরিষ্কার রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন এই সংসদ সদস্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুব শীঘ্রই ডেঙ্গুর কবল থেকে চট্টগ্রামবাসীকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক