রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা চরম মাত্রায় জোরদার হওয়ার মধ্যে মস্কো ও কিয়েভ সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যেই এই উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক মিশন পরিচালিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো গণমাধ্যমকে জানান। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে ওয়াশিংটন এখন সরাসরি মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে।
সফরের অংশ হিসেবে মার্কিন প্রতিনিধি দলটি প্রথমে মস্কো এবং পরবর্তীতে কিয়েভ সফর করবে। সেখানে তারা সংশ্লিষ্ট দেশের শীর্ষ নীতি নির্ধারকদের সাথে বৈঠক করে যুদ্ধবিরতির একটি বাস্তবসম্মত রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করবেন। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই যুদ্ধ বন্ধের দাবি জোরালো হয়েছে। ইতিপূর্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিতেও এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন উদ্যোগ শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দুই বিশেষ দূতের সফর কেবল ইউক্রেন সংকটের সমাধানই নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তা স্থাপত্য পুনর্গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা শেষে তারা মার্কিন প্রশাসনের কাছে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবেন, যার ওপর ভিত্তি করে যুদ্ধ বন্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে। কিয়েভ ও মস্কোর বর্তমান মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব কমিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছানোই এখন এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক