১৯৯৮ সালের ৯ জুন পার্বত্য শান্তিচুক্তিকে সংবিধানবিরোধী চুক্তি আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবিতে ঐতিহাসিক লংমার্চ করেছিলেন আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর এই দূরদর্শী নেতৃত্বে চারদলীয় জোটের কর্মসূচিটি তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল, যা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাধারণ মানুষের অদম্য ঐক্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিল।
তবে তৎকালীন সময়ে ক্ষমতায় থাকা কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার এই শান্তিপূর্ণ ও জনকল্যাণমুখী লংমার্চ বাধাগ্রস্ত করার জন্য নানা অপচেষ্টা চালায়। সরকারের নির্দেশে এবং তাদের পেটুয়া বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে কাঁচপুর সেতুর আগেই ব্যস্ত সড়কের ওপর ভারী ট্রাক দিয়ে কৃত্রিম প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হয়, যাতে দেশনেত্রীর গাড়ি বহর এগোতে না পারে।
কার্য নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী শামীম ওসমান ও তার সহযোগীরা এই বাধার নেপথ্যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল বলে গণমাধ্যমকে জানান স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তারা প্রকাশ্যেই লংমার্চ প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল।
কিন্তু সমস্ত বাধা-বিপত্তি এবং স্বৈরাচারী মনোভাবকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে লাখো জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্ধারিত পথেই বীরের বেশে এগিয়ে যান। তাঁর এই সাহসী ও আপসহীন পদক্ষেপ আজও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্রের পক্ষে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হয়ে রয়েছে, যা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সবসময় অনুপ্রেরণা জোগাবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক