রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের একটি আখক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধারের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. রফিকুল মৃধাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে দৌলতদিয়া এলাকার একটি আখক্ষেতে এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের হাত-পা বাঁধা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নযুক্ত মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। প্রাথমিক অবস্থাতেই হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত বলে ধারণা করা হয়। এই পৈশাচিক ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে তাৎক্ষণিকভাবে ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে র্যাব-১০, সিপিসি-৩-এর (ফরিদপুর ক্যাম্প) পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, গোয়ালন্দে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের পর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ফরিদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান অভিযুক্ত মোেল্লা রফিকুল মৃধাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট গোয়ালন্দ ঘাট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ বা আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়ে গভীর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক