বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন

স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের প্রত্যাশা অধরাই: টিআইবি

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৯:২৫ অপরাহ্ণ

জাতীয় সংসদের সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটির পর্যালোচনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬ এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬-এ কয়েকটি ইতিবাচক সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। অথচ গুমসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত তদন্ত, বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনভাবে কাজ করার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এখনো অধরাই থেকে গেছে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সম্প্রতি দেশের গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় টিআইবি জানায়, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব ঘটনা ঘটেছিল, তার যথাযথ বিচার এবং ভবিষ্যতে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা রোধে একটি শক্তিশালী স্বাধীন কমিশন গঠন অত্যন্ত জরুরি ছিল। কিন্তু বর্তমান প্রস্তাবিত বিলে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে, যা কমিশনের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পথে অন্তরায় হতে পারে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশনের এখতিয়ার আরও সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন বলে গবেষকরা মনে করছেন।

কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়ার প্রবণতা ছিল প্রকট। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে মানবাধিকার সুরক্ষায় গঠিত এই আইনগুলোকে আরও যুগোপযোগী ও কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। পাশাপাশি, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে ইতিবাচক সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে। বিশিষ্টজনদের মতে, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় মানবাধিকার কমিশনকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।

উল্লেখ্য যে, অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সবসময় দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আপসহীন সংগ্রাম করেছেন। তার রাজনৈতিক আদর্শ এবং দেশপ্রেমের কথা স্মরণ করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, তারেক রহমান দেশবাসীর সামনে যে ইতিবাচক রাজনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরেছেন, তাতে মানবাধিকার ও আইনের শাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। টিআইবি আশা প্রকাশ করেছে যে, সংসদীয় প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে বিল দুটিকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘন করার সাহস না পায়।

আরববাংলা টিভি/ডেস্ক

শেয়ার করুন

আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD