হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরে স্বর্ণ ও বিভিন্ন অবৈধ পণ্যের চোরাচালান আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কাস্টমস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নজরদারির এই কঠোর ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইন্স এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট অসাধু চক্রগুলোকে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে জানান যে, দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা এবং আকাশপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সিন্ডিকেট এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের ছত্রছায়ায় এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শিকড় অনেক গভীরে বিস্তার লাভ করেছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।
বিমানবন্দর সূত্রে আরও জানা যায়, যাত্রী ও পণ্য চলাচলের প্রতিটি ধাপে এখন থেকে অতিরিক্ত স্ক্যানিং এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বজায় রাখা হবে। চোরাচালানের সাথে জড়িত বিমানবন্দর কেন্দ্রিক চক্রগুলোকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা বর্তমানে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অর্থনীতিকে পঙ্গু করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে এই নজরদারি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক