কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট ও ক্লাউড প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হয়ে উঠেছে ডেটা সেন্টার। ব্যাংক, হাসপাতাল, টেলিযোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ থেকে শুরু করে সরকারি সেবার বড় একটি অংশ এখন এই ডেটা সেন্টারগুলোর ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। একই সঙ্গে বর্তমান যুগের আধুনিক সামরিক অভিযানে এআই ও ক্লাউড প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের কারণে এই কেন্দ্রগুলোর কৌশলগত গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধপদ্ধতিতে তথ্যপ্রযুক্তি এবং ডেটা প্রসেসিংয়ের সক্ষমতা যেকোনো দেশের সামরিক শক্তির বড় চালিকাশক্তি। ফলে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করতে এবং তাদের যোগাযোগ ও কমান্ড সিস্টেম অচল করে দিতে এসব ডেটা সেন্টারকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর প্রবণতা বাড়ছে। এর পেছনে রয়েছে ডিজিটাল পরিকাঠামো ধ্বংস করে শত্রুর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কৌশল।
সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সাইবার যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঝুঁকি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা গণমাধ্যমকে জানান, ভবিষ্যতের যেকোনো বড় সংঘাতে কেবল চিরাচরিত সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি দেশের এই ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত কেন্দ্রগুলোর সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন, অন্যথায় পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থা এক নিমেষে স্থবির হয়ে পড়তে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক