ছোটবেলা থেকেই ছোট-বড় যন্ত্রপাতি নিয়ে নাড়াচাড়া করার নেশা। ভাঙা যন্ত্র খুলে দেখা, নতুন কিছু তৈরির চেষ্টা আর প্রযুক্তির প্রতি অদম্য কৌতূহল- এসবই যেন ধীরে ধীরে গড়ে দিয়েছে এক উদ্ভাবকের ভিত। সেই কৌতূহলকে শক্তিতে পরিণত করে এবার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন মানিকগঞ্জের তরুণ উদ্ভাবক হাসিবুর। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে শুধু মানিকগঞ্জ নয়, গোটা দেশবাসী আজ গর্বিত।
প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের তরুণেরাও যে পিছিয়ে নেই, তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন হাসিবুর। কঠোর পরিশ্রম, মেধা এবং অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে তিনি এমন একটি রোবট তৈরি করেছেন যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিচারকদের নজর কেড়েছে। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কীভাবে বড় কিছু করা সম্ভব, হাসিবুর তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। তার এই উদ্ভাবন আগামী দিনে দেশের প্রযুক্তি খাতকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নিয়ে কাজ করার অভ্যাস ছিল তার। পরিবারের উৎসাহ এবং নিজের অদম্য জেদের কারণেই আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা উড্ডীন করার পর থেকেই তাকে নিয়ে চার্চের কমতি নেই। দেশের তরুণ সমাজ এখন তাকে অনুসরণ করে নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা এবং আধুনিক গবেষণার সুযোগ পেলে হাসিবুরের মতো প্রতিভাবান তরুণেরা দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব জয় করবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এ ধরনের তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। হাসিবুরের এই বিশ্বজয়ের গল্প আগামী প্রজন্মের কাছে এক রূপকথার মতো মনে হলেও এটি আজ বাস্তব এবং অত্যন্ত গৌরবের।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক