কম জমিতে চাষ, একবার গাছ লাগিয়ে বহু বছর ফল পাওয়ার সুযোগ এবং জুস তৈরিতে দারুণ সম্ভাবনার কারণে বাংলাদেশে প্যাশন ফলের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আনারকলি, ট্যাং ফল বা শরবতি ফল নামেও পরিচিত এই exotic বা ব্যতিক্রমী ফলটি চাষ করে দারুণ অর্থনৈতিক সাফল্যের মুখ দেখেছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার এক অগ্রগামী কৃষক। তিনি প্রথম বছরেই তিন থেকে চার লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি এই ধরণের লাভজনক ফল চাষ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করছে। প্যাশন ফলে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ থাকায় বাজারে এর চাহিদাও বেশ ভালো। জীবননগরের ওই কৃষকের সাফল্য দেখে আশপাশের এলাকার অনেক বেকার যুবক ও কৃষকরাও এখন এই ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিস থেকেও কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে দেশজুড়ে এর চাষাবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক