তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার সংকট নিরসন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে আজ শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। এই লংমার্চকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ উত্তাপ বিরাজ করছে। সরকারের নীতিনির্ধারকদের অনেকেই এই কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন, যা দেশের বর্তমান রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাংবাদিকদের এক সংবাদ সম্মেলনে ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষস্থানীয় নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তাদের এই শান্তিপূর্ণ লংমার্চে যদি কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হয়, তবে তা সরকারের জন্য শুভ হবে না। তারা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন যে, জনগণের মৌলিক দাবি আদায়ের এই কর্মসূচিতে বাধা দিলে সরকার তীব্র জনরোষের মুখে পড়বে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ ধরনের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা না দিয়ে বরং সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করার আহ্বান জানান তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট এবং কৃষির অন্যতম উপাদান সারের সরবরাহ স্বাভাবিক করা অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া গণভোটের রায় বাস্তবায়নের বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ১১-দলীয় জোটের এই লংমার্চ কর্মসূচি সরকারের ওপর বাড়তি রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার কীভাবে এই লংমার্চ মোকাবিলা করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক