চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় মাদক ব্যবসা এবং ডাকাতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে তৈরি হওয়া অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে খুন হয়েছেন আবদুল করিম নামের এক ব্যক্তি। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত ও বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করার পর এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক দাবি অনুযায়ী, নিহত আবদুল করিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে রাউজান থানায় একটি হত্যা মামলাসহ ছিনতাই, ডাকাতি এবং মাদক ব্যবসার একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরে আবদুল করিমের সঙ্গে তার অপরাধী চক্রের অন্যান্য সদস্যদের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এই বিরোধের চরম পরিণতি হিসেবেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন অপরাধীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্মূল করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিহত আবদুল করিমের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পুলিশ বাদী হয়ে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অপরাধ চক্রের বাকি সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক