অভিবাসন প্রক্রিয়া কঠোর করার অংশ হিসেবে নতুন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। ডিএইএসের দেওয়া নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যদি দেশটিতে কাজ করতে চান বা তাদের অবস্থান দীর্ঘায়িত করতে চান, তবে তাদের জন্য আরও কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে। এই নতুন বিধিনিষেধের ফলে যুক্তরাষ্ট্র উচ্চশিক্ষার জন্য ইচ্ছুক বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে আগের মতো আকর্ষণীয় থাকবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন প্রশাসনের এই কড়াকড়ির ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা যারা উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নেন, তারা নানা জটিলতার মুখে পড়তে পারেন। বিশেষ করে যারা গ্র্যাজুয়েশনের পর কাজের সুযোগ বা অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও দীর্ঘ ও দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে। মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থানের বাজার সুরক্ষার জন্যই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
এদিকে বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা এই প্রস্তাবের সমালোচনা করে বলেছেন যে, এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমুখ হতে পারে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফি এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির ওপর অনেংশে নির্ভরশীল, ফলে এই নীতিমালা কার্যকর হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। তবে চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামতের জন্য সময় রাখা হয়েছে, যার ওপর নির্ভর করছে এই নতুন বিধিনিষেধের চূড়ান্ত রূপ কেমন হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক