ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করতে ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার তারই পাওয়া উচিত। তবে এ পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে নিজের সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজের ভূমিকা নিয়ে সবসময়ই সোচ্চার থাকা ট্রাম্প সম্প্রতি এক বক্তব্যে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের কথা স্মরণ করেন।
বুধবার ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার কার হাতে উঠবে তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। তবে তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে তিনি যে ধরনের সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন, তাতে এই সম্মাননা তারই প্রাপ্য ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে তার মতো নেতাদের এই পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করা হয় বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অতীতেও তিনি একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার দাবিদার বলে মন্তব্য করেছেন। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত নিরসনে তার প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তিনি বারবার তুলে ধরেছেন। তবে সমালোচকরা তার এই দাবির ভিন্ন মূল্যায়ন করে থাকেন।
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। মার্কিন রাজনীতিতে তার প্রভাব এবং আগামী দিনের ভূরাজনৈতিক সমীকরণে এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে দিনশেষে নোবেল শান্তি পুরস্কারের মতো মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কে পাবেন, তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট কমিটির মূল্যায়নের ওপর।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক