মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান পরিচালনা কিংবা বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। মাদকের মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা ও নেপথ্যের প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে৷ পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করতে অপরাধীদের জন্য একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতিতে মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ও কৌশলগত ভূমিকা পালন করতে হবে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার কারণে মাদক নির্মূলের মূল কাজটি ব্যাহত হয়েছিল। সেই সময়কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিনির্ধারকদের অনেকের বিরুদ্ধে মাদকের নেপথ্য সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছিল।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এই নীতির সফল বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত অভিয পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের যেকোনো মূল আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক