ইসলামী বক্তা ও ৩১৩ প্রপার্টিজের চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করেছেন মেহের আফরিন নামের এক রোহিঙ্গা নারী। তার অভিযোগ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট করে দেওয়ার আশ্বাসে মাওলানা মিসবাহ তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন এবং তাকে নানাভাবে হেনস্তা করছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত মাওলানা মিসবাহর বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপ ও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।
গণমাধ্যমকে জানান ওই রোহিঙ্গা নারী মেহের আফরিন, মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ছিল। তাকে আইনগতভাবে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং নানামুখী প্রলোভন দেখিয়ে মিসবাহ বিভিন্ন সময়ে তার ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। মেহের আফরিনের আরও দাবি, মাওলানা মিসবাহর স্ত্রীর সংখ্যা কেবল একজন বা দুজন নয়, বরং তার মোট ১০ জন স্ত্রী রয়েছে। এই বিশাল তথ্য প্রকাশের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনার ঝড় উঠেছে। তবে এ বিষয়ে মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটির গভীর তদন্ত দাবি করে স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকার কর্মীরা জানিয়েছেন, একজন প্রভাবশালী বক্তার আড়ালে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ভুক্তভোগী নারী আইনি সহায়তার জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করছেন। বিষয়টি নিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নজরদারি শুরু করেছে বলে জানা গেছে। দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক