গাজীপুরে ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করার অপরাধে তৌফিক নামের এক তরুণকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে শ্রমিক পরিচয়ধারী কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তরা। সম্প্রতি এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, যারা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালায় এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে চায়, তারা কখনোই প্রকৃত শ্রমিক হতে পারে না। এরা মূলত কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী যারা শ্রমিকদের ছদ্মবেশে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও নিহত তৌফিকের পরিবার। উল্লেখ্য, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পরও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তৌফিক হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক