একটি সোনালি বল। ফুটবলারের কাছে এটি শুধু একটি পুরস্কার নয়, স্বপ্নের চূড়ান্ত স্বীকৃতি। মাঠের হাজারো গোল, অসংখ্য ট্রফি আর ব্যক্তিগত কীর্তির ভিড়ে যে সম্মান একজন খেলোয়াড়কে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে যায়, তার নাম ব্যালন ডি’অর। অথচ এই পুরস্কারের শুরুটা হয়েছিল বেশ ছোট পরিসরে, যা সময়ের পরিক্রমায় আজ বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত স্বীকৃতিতে রূপ নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন ক্রীড়া সাংবাদিকদের দীর্ঘ পর্যালোচনার পর জানা যায়, ১৯৫৬ সালে ফরাসি ম্যাগাজিন ফ্রান্স ফুটবল এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি প্রদানের প্রবর্তন করে। শুরুর দিকে কেবল ইউরোপীয় ক্লাবগুলোতে খেলা ইউরোপিয়ান খেলোয়াড়রাই এই পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতেন। পরবর্তীতে এই নিয়মে পরিবর্তন এনে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ফুটবলারদের জন্য এর দরজা উন্মুক্ত করা হয়।
ফুটবল ইতিহাসের মহাতারকা আলফ্রেডো ডি স্টেফানো, জোহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি থেকে শুরু করে বর্তমান যুগের লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো—সব কিংবদন্তির ক্যারিয়ারের মুকুটে এই ব্যালন ডি’অর যুক্ত হয়ে তাদের অমরত্ব নিশ্চিত করেছে। দীর্ঘ সাত দশকের এই যাত্রায় ট্রফিটির ডিজাইনে সামান্য পরিবর্তন এলেও এর আবেদন এবং জৌলুস বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমী ও খেলোয়াড়দের কাছে এটি অর্জনের রোমাঞ্চ দিন দিন বেড়েই চলেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক