অন্য ব্যক্তিকে প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি চাকরির লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন মো. রিপন হোসেন। সেই অবৈধ উপায়ে অর্জিত চাকরিতে যোগ দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) আটক হয়েছেন তিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তিনি এই জালিয়াতি করেছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই চক্রগুলো টাকার বিনিময়ে প্রকৃত প্রার্থীর বদলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের দিয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দেওয়ায়। মো. রিপন হোসেনও এই পথ বেছে নিয়েছিলেন নিজের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি এবং পিএসসির কঠোর গোপনীয়তা ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার কারণে তার এই জালিয়াতি ধরা পড়ে যায়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পিএসসি চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আরও গভীরে তদন্ত শুরু করেছে। এই চক্রের সাথে আরও কারা জড়িত এবং অতীতে এ রকম আর কতজন ভুয়া প্রার্থী চাক পেয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ অভিযুক্ত রিপনকে আটক করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে থানায় সোপর্দ করেছে।
ডেস্ক রিপোর্ট