ছোট-বড় মিলিয়ে চট্টগ্রামের ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে আটটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। গ্যাস ও জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বাকি ২১টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে কেবল কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট এবং বাঁশখালী ও মাতারবাড়ির দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনোটিই তাদের পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতার ধারেকাছেও যেতে পারছে না।
জ্বালানি খাতের এই নাজুক পরিস্থিতির কারণে পুরো অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের ধস নেমেছে, যা শিল্পোদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা না গেলে এই সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের ভুল নীতি ও অনিয়মের কারণে দেশের জ্বালানি খাতে এই দুর্দিন নেমে এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই সংকট নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতের এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। এই পরিস্থিতিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
ডেস্ক রিপোর্ট