বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ও পরীক্ষা স্থগিতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে জানান যে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের যে ঘটনা গণমাধ্যমে এসেছে এবং পরবর্তীতে পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ, তা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং যুব সমাজের ভবিষ্যতের প্রতি এক ধরনের নির্মম উপহাস। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় যদি দুর্নীতি ও প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটে, তবে তা জাতির জন্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় লাগাতার প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির মাধ্যমে মেধাবী যুবকদের বঞ্চিত করা হয়েছিল। কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সেই দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার ভূত এখনো শিক্ষা ও প্রশাসন থেকে পুরোপুরি দূর হয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেও যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তবে তা জনগণের মনে নতুন করে সংশয়ের জন্ম দেবে।
এই ঘটনার পেছনে জড়িত মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে একটি নিরপেক্ষ ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের জোরালো দাবি জানান তিনি। একই সাথে, ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক প্রক্রিয়ায় নতুন তারিখ ঘোষণা করে পরীক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা। অন্যথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারিও উচ্চারণ করেন তিনি।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক