সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়ার পরও নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলার চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও চরম হতাশা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া সাফল্যের সঙ্গে পার করার পরও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী ধাপে এসে এই দীর্ঘসূত্রতা প্রার্থীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুলিশ ভেরিফিকেশন বা অন্যান্য দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন নিয়োগে নানামুখী অনিয়ম ও দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ থাকলেও বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের নিয়োগপত্র প্রত্যাশা করছেন। প্রার্থীরা জানিয়েছেন, বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও সন্তোষজনক কোনো আশ্বাস পাওয়া যাচ্ছে না, যার ফলে তাদের পরিবারেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষা খাতের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে শিক্ষক সংকট নিরসনে এ ধরনের দীর্ঘসূত্রতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রশাসনিক জটিলতা ও ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সুপারিশপ্রাপ্তদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা। অন্যথায় তারা বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন বলেও গণমাধ্যমকে জানান।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক