প্রায় চার বছরের ধারা চলা সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই নরওয়েতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বহনকারী বিমানটি ড্রোন আক্রমণের শিকার হতে যাচ্ছিল। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান যে, এই অপ্রত্যাশিত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য যখন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক বৈঠক ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই এমন একটি ঘটনা ঘটল।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে এবং সামরিক সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করতে নরওয়ে সফরে গিয়েছিলেন। নরওয়ের আকাশসীমায় প্রবেশ করার পরপরই রাশিয়া কতৃক প্রেরিত একটি ড্রোন তার বিমানটির অত্যন্ত কাছাকাছি চলে আসে বলে গোয়েন্দা সূত্রগুলো গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে নরওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে এবং নির্ধারিত গন্তব্যে নিরাপদ অবতরণ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাটি কেবল ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলেনি, বরং পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। নরওয়ের কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে এই ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনা নতুন উত্তাপের সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষ করে যখন সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধবিরতির রূপরেখা তৈরির চেষ্টা করছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক