ঝিনাইদহে আত্মহত্যার প্রবণতা ভয়াবহ আকার ধারণ করে দিন দিন উদ্বেগ বাড়িয়ে চলছে। জেলাটিতে আত্মহত্যার হার দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেক বেশি। প্রকাশিত গবেষণা ও সাংবাদিকদের তথ্য অনুযায়ী, এই জেলায় গড়ে প্রতি বছর তিন থেকে চার শতাধিক মানুষ আত্মহননের পথ বেছে নেন।
পারিবারিক কলহ, মানসিক অশান্তি, এবং নানা ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে মানুষ এই চরম পথ বেছে নিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বা প্রশাসন নয়, বরং সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমেই কেবল এই মর্মান্তিক প্রবণতা রোধ করা সম্ভব।
ঝিনাইদহের সাধারণ মানুষের মাঝেও বিষয়টি নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তরুণ প্রজন্ম ও গৃহিণীদের মধ্যে হতাশাগ্রস্ততা যেভাবে বাড়ছে, তার নেপথ্যে রয়েছে মনস্তাত্ত্বিক সহায়তার অভাব। গণমাধ্যমকে জানান, জেলাজুড়ে কাউন্সেলিং সেন্টার স্থাপন এবং তরুণদের খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিলে এই আত্মহত্যার হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক