ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান নির্মম পরিস্থিতির বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেওয়ায় নিজেসহ আরও ১০ জন ব্রিটিশ সংসদ সদস্যের ওপর ইসরাইলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ রাজনীতিক ও সংসদ সদস্য জেরেমি করবিন। গাজার সাধারণ মানুষের ওপর চলা মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানানোয় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জেরেমি করবিন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের এ ধরনের অযৌক্তিক ও দমনমূলক নিষেধাজ্ঞা তাকে বা তার সহকর্মীদের সত্যের পথ থেকে সরাতে পারবে না। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সংগত অধিকার, শান্তি, পূর্ণ স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধার পক্ষে তারা অতীতেও সোচ্চার ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও এই ন্যায্য লড়াই অব্যাহত রাখবেন। গাজার অবরুদ্ধ জনগোষ্ঠীর মৌলিক মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্ববাসীর আরও বেশি সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং স্বাধীনতাকামী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ইসরাইলি সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলা কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি মানবাধিকারের সর্বজনীন দাবির বহিঃপ্রকাশ। জেরেমি করবিন ও তার সহকর্মীরা বরাবরই বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন সংকটের একটি স্থায়ী এবং ন্যায়সঙ্গত সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান অবিচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে কোনো বাধাই তাদের থামিয়ে রাখতে পারবে না।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক