জনগণের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। সম্প্রতি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের লড়াইয়ে জামায়াতে ইসলামী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশেই থাকবে।
মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী কেবল একটি আদর্শিক রাজনৈতিক দলের ভূমিকা পালন করেই ক্ষান্ত থাকে না, বরং জাতীয় সংসদের নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত জনগণের অধিকার রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জোরালো ও কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে। বিগত বছরগুলোতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে অস্থিরতা বিরাজ করেছে, তা থেকে উত্তরণে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে দলটির নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার কথা তিনি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলোর তৎপরতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রাজনৈতিক দমনপীড়ন এবং ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পর, এখন জনগণের ভোটাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীলতা বহুগুণ বেড়ে গেছে। মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল তার বক্তব্যে সেই দায়িত্ববোধেরই পুনরাবৃত্তি করেছেন এবং দেশবাসীকে জামায়াতে ইসলামীর দেশগঠনমূলক কার্যক্রমে আস্থাবান থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে এই বক্তব্য ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে। দেশের অর্থনীতি, সুশাসন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী তাদের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সামনের দিনগুলোতে আরও সক্রিয় থাকবে বলে দলীয় সূত্রগুলো গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। বিশেষ করে জনগণের অধিকার আদায়ের এই আন্দোলনকে সফল করতে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের আরও বেশি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক