বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বুয়েটের শহীদ শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের আত্মদানের এক চূড়ান্ত ফলাফলই স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ভীত শৃগালের মতো দেশ থেকে পলায়ন। তিনি আরও বলেন, ছাত্রদল প্রকাশ্যে রক্ত দিয়েছে বলেই তাদের কেউ সুপ্ত বা গুপ্ত বলতে পারে না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াইয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ভূমিকা অবিস্মরণীয় এবং তারা সবসময় রাজপথে থেকে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নিজেদের উৎসর্গ করেছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের যুবসমাজ ও ছাত্রসংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ পনেরো বছরের বেশি সময় ধরে চলা দমন-পীড়ন, গুম ও খুনের রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্রদল সবসময় সম্মুখসারিতে থেকে লড়াই করেছে। এ সময় তিনি আরও যোগ করেন যে, শহীদ আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগ সমগ্র জাতির মধ্যে এক নতুন চেতনার জন্ম দিয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন এবং তারা দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়াকে অর্থবহ করতে ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলো সবসময় আপসহীন অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরও সুসংহত করার ওপর জোর দেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক