উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা সময় নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা গেছেন—এমন একটি ভিত্তিহীন গুজব চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয় তীব্র জল্পনা-কল্পনা। তবে এই ধরনের সংবাদের সত্যতা নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন থেকে যায়, কারণ দেশটির কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখার নীতি বহির্বিশ্বের জন্য এক বড় রহস্য।
গুজব ছড়িয়ে পড়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় প্রকাশ্যে দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র রোডং সিনমুনে প্রকাশিত সাম্প্রতিক কিছু ছবিতে দেখা যায়, ৪২ বছর বয়সি কিম জং উন তার প্রিয় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে একটি পোশাক ও জুতো তৈরির কারখানা পরিদর্শন করছেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়ার মতো একটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্র সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া প্রায় অসম্ভব বলেই প্রায়ই এমন ভুয়া ও কল্পিত খবরের জন্ম হয়। দেশটির শীর্ষ নেতার স্বাস্থ্য বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সংবাদমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের অতিরিক্ত কৌতূহল এবং অনুমানের ওপর নির্ভরতার কারণেই এ ধরনের মৃত্যুর গুজব বারবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কিউলেট হয়ে থাকে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক