ইরান এবং আমেরিকার মধ্যকার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাত নিরসনে সহায়তার জন্য নিজেদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে তুরস্ক। মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে চলমান বহুমুখী সংকট মোকাবিলায় আঙ্কারা শুরু থেকেই একটি শান্তিপূর্ণ ও মধ্যস্থতাকারী কূটনৈতিক পন্থা অনুসরণ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখবে।
সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তুরস্কের শীর্ষ নেতৃত্ব। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার এই দূরত্ব ও বৈরিতা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। এমন একটি জটিল পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে তুরস্কের এই ধরনের মধ্যস্থতার উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সংঘাতের মাত্রা বৃদ্ধি না পেয়ে যাতে আলোচনার টেবিলে সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়, সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন তুর্কি নীতিনির্ধারকরা। বর্তমান এই সংকটের সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির ওপর পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় তুরস্কের এই কূটনৈতিক প্রয়াস কতখানি সফল হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক