২০০৬ সালের বিস্ময়কর আগমন দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বমঞ্চে লিওনেল মেসির পথচলা। এরপর ২০১০ সালে সঙ্গী হয়েছিল ব্যর্থতা। ২০১৪ সালে ফাইনালে এসেও রয়ে গিয়েছিল এক অপূর্ণতা। ২০১৮ সালে ফের গ্রাস করেছিল ব্যর্থতার বলয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর লড়াইয়ের পর ২০২২ সালে কাতারে এসে মিলেছিল পরম পূর্ণতা, যা বিশ্বজুড়ে তার ভক্তদের এনে দিয়েছিল উল্লাস। আর ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে এসে দেখা যায় অন্য এক চিত্র, যেখানে জড়িয়ে রয়েছে কান্নাভেজা চোখ। মেসি এবং তার এই বর্ণাঢ্য বিশ্বকাপ পরিভ্রমণ মূলত এক অপরূপ আনন্দ-বেদনার কাব্য। ফুটবলের এই মহাতারকার জীবন ও ক্যারিয়ারের নানা চড়াই-উতরাই নিয়ে রচিত এই মেসিকাহিনি ভক্তদের হৃদয়ে চিরকাল জাগরূক থাকবে। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, মেসির এই দীর্ঘ যাত্রা কেবল রেকর্ড বা গোলের হিসাব নয়, এটি এক অদম্য মানসিক শক্তির নাম, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ফুটবলপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে। তার এই রূপকথার মতো ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রতিটি অধ্যায় যেন একেকটি রোমাঞ্চকর উপন্যাসের মতো, যা মাঠে ও মাঠের বাইরে সমানভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব ফুটবলের এই বরপুত্র তার জাদুকরী বাঁ পায়ের ছোঁয়ায় যেভাবে কোটি কোটি মানুষের হৃদয় জয় করেছেন, তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, মেসির এই মহাকাব্যিক পথচলা আগামী দিনেও ক্রীড়াপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক