জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের দাবিতে আজ শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবুল বারীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি বিশেষায়িত
১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চ আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাজধানীর মতিঝিলের ব্যস্ততম শাপলা চত্বরে একটি বিশাল জনসভার মধ্য দিয়ে এই লংমার্চের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু
বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, একটি আদর্শ সমাজ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে নারীদের ভূমিকা পুরুষের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। মহানবী হজরত
আগামীকাল শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ বাস্তবায়নে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলসমূহ। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিরোধীদলের সর্ববৃহৎ এ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করার জন্য সরকার এবং প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি না। আমরা আন্দোলন করছি দেশের
দেশের বর্তমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারের পাশাপাশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কেবল
বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচি পালন রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রুহুল কবির রিজভী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, জনগণের মৌলিক অধিকার
সংবাদ সম্মেলনের মাঝেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। গুরুত্বপূর্ণ এই জাতীয় রাজনৈতিক ঘটনার সময়
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবি অত্যন্ত জোরালোভাবে সামনে এসেছে। দেশের