নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরমধুয়া, নিলক্ষা ও বাঁশগাড়ি—এ তিন চরাঞ্চলে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধে সমন্বিত বিশেষ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। যৌথ বাহিনীর অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রেপ্তার আতঙ্কে জনমানবশূন্য হয়ে পড়ে পুরো চরাঞ্চল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র নদীর জীববৈচিত্র্য ও তীরবর্তী বসতি ধ্বংস করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল, যা পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে বিপন্ন করছিল।
রায়পুরা উপজেলার মেঘনা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছিল। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের বারবার প্রতিবাদের মুখে প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। এরই ধারাবাহিকতায় যৌথ বাহিনীর এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। ফলে পুরুষশূন্য হয়ে পড়ে ওই তিন চরাঞ্চলের গ্রামগুলো।
প্রশাসন জানিয়েছে, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক