চলাফেরার পথে মানুষ ইচ্ছায় অনিচ্ছায় বিভিন্ন ভুল করে বসে। মানুষের কাছ থেকে ভুল কিছু ঘটে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে ভুলের পর ভুল স্বীকার না করে গোঁড়ামি করা দোষণীয় এবং মন্দ স্বভাবের
হিজরি বর্ষের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল। আরবি মাসগুলোর মধ্যে এ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এ মাসেই সাইয়্যেদুল মুরসালিন, খাতামুন নাবিয়্যিন হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবীতে আগমন করেন, আবার এ
১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) তারিখ নির্ধারণে শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সভায় বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। শুক্রবার সন্ধ্যা পৌঁনে ৭টায় (বাদ
সুখী সংসার গঠনে ইসলাম পুরুষদের ওপর গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছে। এক হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো মুমিন পুরুষ মুমিন নারীর ওপর রাগান্বিত হবে না। কেননা যদি তার কোনো
কাপড়ে অপবিত্র কিছু লাগলে সেই কাপড় তিনবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং প্রত্যেকবার ভালো করে চাপ দিয়ে নিংড়াতে হবে। ভালো করে নিংড়িয়ে ধোয়ার পরও যদি দুর্গন্ধ থেকে যায় কিংবা
সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা একজন মুসলিমের অন্যতম দায়িত্ব। নামাজ না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, কেয়ামতের দিন জাহান্নামীদের জিজ্ঞাসা করা হবে— ‘কেন তোমরা সাকার নামক জাহান্নামে
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাাম বলেন, মহান আল্লাহর কাছে দোয়ার চেয়ে অধিক সম্মানিত কোনো জিনিস নেই। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৮২৯) আরেক হাদিসে হজরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ
প্রতিশ্রুতি পূরণ করা নবী-রাসূল ও সৎকর্মপরায়ণ মানুষদের বিশেষ গুণ এবং সম্ভ্রান্ত মানুষদের অভ্যাস। আর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা পাপাচারী ও হীন মানুষদের চরিত্র। মূলত প্রতিশ্রুতি (ওয়াদা) পূর্ণ করা মুমিনের অন্যতম গুণ।
জামাতে নামাজের সময় মুকতাদির জন্য ইমামের অনুসরণ করা জরুরি। নামাজের প্রত্যেক রুকনেই মুকতাদির জন্য ইমামের অনুসরণ করা ওয়াজিব। ইমামের আগে মুকতাদির রুকু বা সেজদায় চলে যাওয়া কিংবা ইমামের আগেই মুকতাদির
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মূল নাম ‘মুহাম্মদ’। জন্মের পর দাদা আবদুল মুত্তালিব এই নাম রাখেন। পবিত্র কোরআনের একাধিক স্থানে আল্লাহ তাকে মুহাম্মদ নামেই সম্বোধন করেছেন। এর বাইরেও আল্লাহর প্রিয় হাবিব