বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মাইশা মুশফিরাতের মর্মান্তিক প্রাণহানির পর সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে বসানো হয়েছে প্রায় ২০টি অস্থায়ী স্পিডব্রেকার। তবে অনভিপ্রেত দুর্ঘটনা ঠেকানোর এই সাময়িক পদক্ষেপে হিতে বিপরীত হয়েছে; সীতাকুণ্ডের কুমিরা থেকে বারো আউলিয়া পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এখন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিনে হঠাৎ করেই মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এসব স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা হয়। এর ফলে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক এবং জরুরি সেবার যানগুলো চরম গতিসীমায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চালকদের মতে, অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত স্পিডব্রেকারগুলোর কারণে যানবাহনের যান্ত্রিক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের সময় অপচয় হচ্ছে মারাত্মকভাবে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি রোধ করতে এবং সাধারণ পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কিংবা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া এভাবে একের পর এক স্পিডব্রেকার স্থাপন করায় মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও পরিবহন খাতের বিশেষজ্ঞরা।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যানজট নিরসনে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সড়ক পরিবহন বিভাগ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী যাত্রী ও স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক