দেশের তৈরি পোশাক খাতে চলমান বিভিন্ন সংকটের ও অস্থিরতার রেশ কাটতে না কাটতে এবার দেশের গণমাধ্যম সেক্টরেও গভীর অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির একটি বিশেষ চক্রান্ত চলছে বলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিবেদন এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং সরকারের নানামুখী ইতিবাচক পদক্ষেপে বাধা সৃষ্টি করতে এই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তার মাধ্যমে এই বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী একটি বিশেষ মহল এবং কার্যতই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ যৌথভাবে এই ধরনের গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে থামিয়ে দিতে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে তারা বিভিন্ন ধরনের গুজব রটানোর কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই এই চক্রটি নানা কৌশলে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা করে আসছে। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের সুদূরপ্রসারী এবং গতিশীল দূরদর্শিতার কারণে তাদের এই ধরনের যেকোনো অপতপরতা শুরুতেই শক্ত হাতে দমন করা হচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহল মনে করে, গণমাধ্যম হলো গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ, তাই এই খাতকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক