ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কোনো একক দল বা পক্ষ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভাগ্য। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান ঘটতে পারে এই ভোটের মাধ্যমে, আবার বিরোধীরা সম্মিলিতভাবে বেশি ভোট পাওয়ার পরও নানা রাজনৈতিক সমীকরণে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেন তিনি। সরকার গঠনের এই জটিল লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কোন দলগুলো একজোট হবে এবং শেষ হাসি কে হাসবে, তা সময়ই বলে দেবে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের সরকার গঠনে দেশটির আরব ও মুসলিম ভোটারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠন বা পতনের প্রক্রিয়ায় সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটাররা এবার নির্ধারক বা কিংমেকার হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন। ইসরাইলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত থাকা এই সম্প্রদায়টি এবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এখন এই ভোট নিজেদের বাক্সে টানতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে। ফলে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে মুসলিম ভোটারদের এই ক্রমবর্ধমান প্রভাব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও গভীর রেখাপাত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক