আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমানের সমালোচকদের অধিকাংশই কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুপ্ত ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে তারেক রহমান যখন নিরলসভাবে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিলেন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন এই তথাকথিত সমালোচকরা আত্মগোপনে ছিলেন কিংবা ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করেছিলেন।
সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক বিশেষ রাজনৈতিক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই সময়ে একটি বিশেষ মহল পরিকল্পিতভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। অথচ জনগণের সত্যিকারের রায় ও ভালোবাসায় অভিষিক্ত হয়ে তিনি যেভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন এবং দেশবাসীকে একটি সুশৃঙ্খল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন, তাতে এসব কুৎসা কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলের নানা নিপীড়ন ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তিনি যেভাবে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন, তা দেশের রাজনীতিতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে যারা জনগণের পক্ষে কথা বলার সাহস দেখাননি, আজ তারা স্বাধীন পরিবেশে নানা রকম অযৌক্তিক সমালোচনা করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে দেশের সচেতন জনগণ এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত রয়েছে এবং তারা যেকোনো মূলფে দেশের এই গণতান্ত্রিক ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক