আজারবাইজানে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে পর্তুগালের বিপক্ষে প্রথমে লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশ দলকে। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পর্তুগালের বিপক্ষে লড়েও লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের ব্যবধানে হেরে যায়। এই টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি দেশের তরুণ ফুটবলাররা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।
চল্লিশ মিনিটের এই প্রতিযোগিতায়, যেখানে কুড়ি মিনিট করে দুটি অর্ধে খেলা অনুষ্ঠিত হয়, ‘এইট-এ-সাইড’ ফরম্যাটের এই ম্যাচে শুরুতেই দারুণ চমক প্রদর্শন করে বাংলাদেশ দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুর্দান্ত আক্রমণ চালিয়ে পর্তুগালের রক্ষণভাগকে কাঁপিয়ে দেয় তরুণ বাংলাদেশি ফুটবলাররা। গোলের দেখা পেয়ে গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদেরও আশাবাদী করে তুলেছিল তারা। তবে সময়ের সাথে সাথে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষ তাদের কৌশল বদলায় এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয়। দ্বিতীয়ার্ধে পর্তুগালের আক্রমণ সামলাতে গিয়ে বাংলাদেশি ডিফেন্ডারদের ওপর চাপ বৃদ্ধি পায় এবং তারা সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনটি গোল পরিশোধ করে ম্যাচ নিজেদের পক্ষে নিয়ে নেয়।
ম্যাচ শেষে কোচিং স্টাফ এবং সংশ্লিষ্টরা দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। শক্তিশালী পর্তুগালের মতো দলের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করা এবং গোল আদায় করে নেওয়া ছোট কথা নয়। এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট তরুণ খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি করতে এবং বড় দলের বিরুদ্ধে খেলার ভয় দূর করতে বিশেষ সহায়তা করবে। আগামী ম্যাচগুলোতে আরও ভালো কৌশল নিয়ে মাঠে নামার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ দল। দেশের ক্রীড়া প্রেমীরাও এই তরুণ দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী এবং তাদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বিভিন্ন ক্রীড়া মাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক