ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হতে হলে কোনো প্রার্থীকে প্রদত্ত বৈধ ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি পেতে হয়। দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সংসদ কিংবা ইলেকটোরাল কলেজের কোনো ভূমিকা নেই। গত ৪ অক্টোবর প্রথম দফার নির্বাচনে কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় মুখোমুখি হচ্ছেন দুই শীর্ষ প্রার্থী। প্রথম দফার ফলাফলে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয় দফায় ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের প্রবল আশা দেখছেন বামপন্থী নেতা লুলা দা সিলভা।
ব্রাজিলের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জমে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটারদের মন জয় করতে উভয় প্রার্থীই জোরেশোরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রথম দফার ভোটের সমীকরণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্রাজিলের সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায় এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। এদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, কারণ লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির নেতৃত্ব কার হাতে যাবে, তার ওপর নির্ভর করছে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অনেক সমীকরণ।
নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করার বিষয়টি এবারের নির্বাচনে প্রধান এজেন্ডা হিসেবে উঠে এসেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার এই লড়াই বেশ রোমাঞ্চকর হতে চলেছে এবং শেষ পর্যন্ত কে বিজয়ী হবেন, তা নিশ্চিত করে বলা মুশকিল। তবে লুলা দা সিলভার সমর্থকরা বলছেন, অতীতেও তিনি কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সফল হয়েছেন এবং এবারও তার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ঘটবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক