ফ্রান্স সফর শেষে দেশে ফেরার পর দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা আটকে রাখা এবং ৫০ হাজার রুপি জরিমানা করার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের এই ধরনের আচরণের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং একে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো, বিমানবন্দরে ভিভিআইপি প্রটোকল ও নিরাপত্তা তল্লাশির নামে একজন নির্বাচিত সাংবিধানিক পদধারীর সঙ্গে এমন আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক ও নজিরবিহীন। মূলত একটি সাধারণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে এই দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয় বলে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ দাবি করলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এর পেছনে গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। পাঞ্জাবের শাসক দলের পক্ষ থেকে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। অনেক রাজনৈতিক নেতা প্রশ্ন তুলেছেন যে, একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে এমন হয়রানির শিকার হন, তবে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সম্মান কোথায় গিয়ে ঠেকেছে। কূটনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ বিদেশি সফর থেকে ফেরার পর এমন ঘটনা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ও কেন্দ্রীয়-রাজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েনকেই নতুন করে উসকে দিয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক