রাজস্ব আয় বাড়ানো ও পরিচালন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি মেইল, কমিউটার এবং লোকাল ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পার্বতীপুরকে কেন্দ্র করে চলাচলকারী চারটি ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং রেল খাতের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন মহল থেকে নানামুখী প্রস্তাবনা আসছিল। এরই ফলশ্রুতিতে রেলওয়ের লোকসান কমাতে এবং সেবার মান বৃদ্ধির জন্য এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, সঠিকভাবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হলে রেলওয়ের ওপর আর্থিক চাপ অনেকাংশে হ্রাস পাবে এবং সাধারণ যাত্রীরা আরও উন্নত সেবা লাভ করতে সক্ষম হবেন। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় এই খাতগুলোতে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, যার ফলে জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রাপ্তি ব্যাহত হয়। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রেলখাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা এবং অভ্যন্তরীণ সুযোগ-সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। পার্বতীপুর জংশনকে কেন্দ্র করে চলাচলকারী এই ট্রেনগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রমের দায়িত্ব পাওয়ার জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি আগ্রহী প্রতিষ্ঠান দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছে। রেলওয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে এবং যাত্রী সাধারণের স্বার্থ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক