মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়েছে একটি কুয়েতি পতাকাবাহী তেলবাহী ট্যাংকার। ‘এমটি আল দাসমা’ নামের ট্যাংকারটিতে হঠাৎ করেই একটি অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, যার ফলে জলসীমায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে গভীর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহের এই প্রধান ধমনিতে এমন হামলার ঘটনা বিশ্ব অর্থনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত তৎপর হয়ে ওঠে। ট্যাংকারটির ক্ষয়পতির পরিমাপ এবং ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নানা পটপরিবর্তন ঘটলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের এই ঘটনাগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কুয়েতি পতাকাবাহী এই জাহাজে হামলার পেছনে কারা জড়িত, তা উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ট্যাংকার চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে। হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল এলাকায় এ ধরনের হামলা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সামরিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক