কেউ হত্যাকাণ্ড বা বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে—এআই চ্যাটবটের সঙ্গে কথোপকথনে এমন ইঙ্গিত মিললেও পুলিশকে জানানো হচ্ছে না কেন? ব্যক্তিগত কথোপকথনের গোপনীয়তা রক্ষা, নাকি সম্ভাব্য প্রাণঘাতী হামলা ঠেকানো—কোনটিকে অগ্রাধিকার দেবে এআই প্রতিষ্ঠানগুলো? কানাডায় স্কুলে বন্দুক হামলার আগে হামলাকারীর চ্যাটবট ব্যবহারের চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসার পর এই প্রশ্নটি বিশ্বজুড়ে তীব্রভাবে আলোচিত হচ্ছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দিন দিন বাড়লেও এর নৈতিকতা ও অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে আইনি কাঠামোর বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। ব্যবহারকারীর গোপনীয়তার অধিকার এবং জননিরাপত্তা—এই দুয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য বজায় রাখা হবে, তা নিয়ে এখন নীতি নির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে। বিশেষ করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও দায়বদ্ধ থাকা উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি খাতের দ্রুত বিকাশের ফলে অপরাধীরাও এআই টুলস অপব্যবহারের নতুন নতুন পথ খুঁজে নিচ্ছে। গত জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের চক্রান্তের প্রেক্ষাপটে দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের যথাযথ তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত তথ্য সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট মহল জোর দাবি জানিয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক