মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর জাতিসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা দেন যে, তিনি বিশ্বজুড়ে সাতটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামিয়েছেন এবং এই ঐতিহাসিক সাফল্যের কারণে তাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত নিরসনে তার প্রশাসনের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি এই দাবি জানান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা ও প্রচারণা চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত সেই সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করতে পারেননি তিনি, যা নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে এবং আন্তর্জাতিক মহলে বিভিন্ন সময় নানা আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি এবং বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তার সমর্থকরা বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে তিনি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। অন্যদিকে, সমালোচকরা তার এই ধরণের স্বঘোষিত দাবির তীব্র সমালোচনা করে একে আত্মপ্রচারের একটি কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্টরা জানান, নোবেল কমিটির মানদণ্ড এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতির সমীকরণের কারণেই ট্রাম্পের এই দাবি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তবে নিজের অর্জিত সাফল্য নিয়ে ট্রাম্প সবসময়ই সরব ছিলেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে তার আগ্রহের কমতি নেই বলেই প্রতীয়মান হয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক